মোঃ সোহানুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে প্রকাশিত বিপুল পরিমাণ গোপন নথি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠা নথি, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং প্রায় ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করে। এ তথ্য প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
প্রকাশিত নথিপত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম শত শতবার উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য ও রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন, ধনকুবের ইলন মাস্ক, মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন এবং নিউইয়র্ক জায়ান্টস দলের সহ-মালিক স্টিভ টিশসহ রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও দাতব্য জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “ভুল! আমি কখনোই এপস্টেইনের দ্বীপে যাইনি।” একই সঙ্গে এপস্টেইনের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ছিল—এমন দাবিও সরাসরি নাকচ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, জেফরি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন নিপীড়ন ও মানব পাচারের অভিযোগ ওঠে। তদন্ত চলাকালেই ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়, যা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নথি প্রকাশের ফলে বিশ্বজুড়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহিতা ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামনে এসব তথ্যের ভিত্তিতে আরও তদন্ত, আইনি পদক্ষেপ কিংবা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে বলে ধারণা