০৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বল্প পারিশ্রমিকে বিড়ি তৈরিতে গৃহিণীদের দিনযাপন

আকিজ বিড়ি তৈরির কাজে যুক্ত হয়ে স্বল্প আয়ের মধ্যেও সংসারে কিছুটা স্বস্তি ফেরাচ্ছেন অনেক গৃহিণী। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, এক হাজার আকিজ বিড়ি তৈরি করলে মজুরি মাত্র ২৫ টাকা দেওয়া হয়। পরিশ্রম ও সময়ের ওপর নির্ভর করে একজন গৃহিণী দিনে প্রায় দুই হাজার বিড়ি তৈরি করতে পারেন।

বিড়ি তৈরির সঙ্গে জড়িত মোছাঃ সাহা ও সুহা নামের দুই গৃহিণী জানান, দিনের সব গৃহস্থালি কাজ শেষ করে এই কাজে সময় দিলে সপ্তাহে আনুমানিক ৩০০ টাকার মতো আয় করা সম্ভব। যদিও আয় খুব বেশি নয়, তবুও এটি গৃহিণীদের জন্য একটি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করছে।

তারা আরও বলেন, ঘরে বসেই এই কাজ করা যায় বলে আলাদা কোনো যাতায়াত খরচ নেই। তবে পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক খুবই কম হওয়ায় অনেকেই ন্যায্য মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানান।

অল্প আয়ের এই কাজটি গৃহিণীদের অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা স্বাবলম্বী করলেও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দিলে পারিশ্রমিক বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের জীবনমান আরও উন্নত করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’ কলেজসমূহের অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকায় মহানগর ল কলেজের মানববন্ধন

স্বল্প পারিশ্রমিকে বিড়ি তৈরিতে গৃহিণীদের দিনযাপন

Update Time : ০৯:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকিজ বিড়ি তৈরির কাজে যুক্ত হয়ে স্বল্প আয়ের মধ্যেও সংসারে কিছুটা স্বস্তি ফেরাচ্ছেন অনেক গৃহিণী। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, এক হাজার আকিজ বিড়ি তৈরি করলে মজুরি মাত্র ২৫ টাকা দেওয়া হয়। পরিশ্রম ও সময়ের ওপর নির্ভর করে একজন গৃহিণী দিনে প্রায় দুই হাজার বিড়ি তৈরি করতে পারেন।

বিড়ি তৈরির সঙ্গে জড়িত মোছাঃ সাহা ও সুহা নামের দুই গৃহিণী জানান, দিনের সব গৃহস্থালি কাজ শেষ করে এই কাজে সময় দিলে সপ্তাহে আনুমানিক ৩০০ টাকার মতো আয় করা সম্ভব। যদিও আয় খুব বেশি নয়, তবুও এটি গৃহিণীদের জন্য একটি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করছে।

তারা আরও বলেন, ঘরে বসেই এই কাজ করা যায় বলে আলাদা কোনো যাতায়াত খরচ নেই। তবে পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক খুবই কম হওয়ায় অনেকেই ন্যায্য মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানান।

অল্প আয়ের এই কাজটি গৃহিণীদের অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা স্বাবলম্বী করলেও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দিলে পারিশ্রমিক বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের জীবনমান আরও উন্নত করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।