০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলারোয়ায় নর্দমা থেকে মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গ্রামীণফোন টাওয়ার সংলগ্ন একটি নর্দমা থেকে মেহেদী হাসান (২৬) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মেহেদী উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজান এর ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোহরা খাতুনের বোন সালেহা ময়লা ফেলতে গিয়ে নর্দমায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমার ছেলে গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সকালে কিছু লোক এসে খবর দেয়, কে বা কারা তাকে জালালাবাদে মেরে ফেলে রেখে গেছে।”

খবর পেয়ে কলারোয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন- মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Aminul Islam

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’ কলেজসমূহের অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকায় মহানগর ল কলেজের মানববন্ধন

কলারোয়ায় নর্দমা থেকে মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ১১:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গ্রামীণফোন টাওয়ার সংলগ্ন একটি নর্দমা থেকে মেহেদী হাসান (২৬) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মেহেদী উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজান এর ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোহরা খাতুনের বোন সালেহা ময়লা ফেলতে গিয়ে নর্দমায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমার ছেলে গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সকালে কিছু লোক এসে খবর দেয়, কে বা কারা তাকে জালালাবাদে মেরে ফেলে রেখে গেছে।”

খবর পেয়ে কলারোয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন- মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।