
আলোর সমাহার নিউজ ডেস্ক
গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী (৬০) স্বীকার করেছেন, তিনি নিজেই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে আলেম আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর এক ফেসবুক লাইভে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।
লাইভ চলাকালে বিক্রমপুরী ফোনে মুহিব্বুল্লাহর মেয়েকে সংযুক্ত করেন। মেয়েটি জানান, তার বড় ভাই জানিয়েছে— তাদের বাবা স্বীকার করেছেন যে, সব কিছু তিনি নিজের ইচ্ছায় করেছেন।
এরপর রাত আড়াইটার দিকে বিক্রমপুরী আবার লাইভে আসেন। সে সময় তার সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ হয়। পুলিশ জানায়, তিনি চাইলে মসজিদের ভেতরে যেতে পারেন, তবে সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন মুরিদ নিতে পারবেন। কিন্তু বিক্রমপুরী সেই শর্তে রাজি হননি।
ঠিক তখনই বিক্রমপুরীর মোবাইলে ফোন আসে মুফতি মুহিব্বুল্লাহর ছোট ছেলের কাছ থেকে। ফোনে মুহিব্বুল্লাহ নিজেই কথা বলেন এবং বলেন,
“আমি নিজেই সব করেছি। নিজের পরিকল্পনায় পঞ্চগড়ে গিয়েছি, গুম হওয়ার অভিনয় করেছি, ঘটনাটি ভাইরাল করেছি। তাই তোমরা আর এই বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।”
উল্লেখ্য, মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী সামাজিক মাধ্যমে ‘মাওলানা মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মাদানী’ নামে পরিচিত।
এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, গত ২২ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভার্সন সেন্টারের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নেওয়া হয়। পরদিন পঞ্চগড়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার কথাও তিনি নিজেই সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন।
তখন তিনি বলেছিলেন, অপহরণের আগে টানা কয়েকদিন উড়ো চিঠির মাধ্যমে হুমকি পেয়েছিলেন এবং অপহরণের পর একটি পুরো দিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।
Reporter Name 











