০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষায় খাতা না দেখানোয় সহপাঠীকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি

পরীক্ষায় খাতা দেখে লিখতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সহপাঠীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিপ্র. এন. এম.-এর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চন্দন মহন্তকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে দায়িত্বরত ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আফতাব জিলানী জানান, রাত ১০টার দিকে আহত শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তিনি বলেন, “রোগীর মাথায় আঘাত রয়েছে। শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বমি বা অচেতন হয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তবে বর্তমানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”

ভুক্তভোগী চন্দন মহন্ত অভিযোগ করে বলেন, “বিপ্র. এন. এম. আমার ব্যাচমেট। পরীক্ষার সময় সে আমাকে খাতা দেখানোর জন্য চাপ দেয়। আমি রাজি না হয়ে নিজের মতো করে লিখতে থাকি। পরে সন্ধ্যার দিকে আমি এক সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে ঘুরছিলাম। তখন তার সঙ্গে দেখা হলে পরীক্ষার খাতা না দেখানো নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সে হঠাৎ আমার মাথা, কান ও পিঠে আঘাত করে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। পরে ভাইয়েরাই আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখনো মাথা, কান ও পিঠে তীব্র ব্যথা অনুভব করছি।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিপ্র. এন. এম.। তিনি বলেন, “যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে, তাহলে প্রমাণ করুক। আসলে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সে আমার বন্ধু, হাসপাতালে আসার পর থেকে আমিই তার সঙ্গে ছিলাম। অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’ কলেজসমূহের অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকায় মহানগর ল কলেজের মানববন্ধন

পরীক্ষায় খাতা না দেখানোয় সহপাঠীকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি

Update Time : ০৭:২৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষায় খাতা দেখে লিখতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সহপাঠীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিপ্র. এন. এম.-এর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চন্দন মহন্তকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে দায়িত্বরত ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আফতাব জিলানী জানান, রাত ১০টার দিকে আহত শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তিনি বলেন, “রোগীর মাথায় আঘাত রয়েছে। শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বমি বা অচেতন হয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তবে বর্তমানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”

ভুক্তভোগী চন্দন মহন্ত অভিযোগ করে বলেন, “বিপ্র. এন. এম. আমার ব্যাচমেট। পরীক্ষার সময় সে আমাকে খাতা দেখানোর জন্য চাপ দেয়। আমি রাজি না হয়ে নিজের মতো করে লিখতে থাকি। পরে সন্ধ্যার দিকে আমি এক সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে ঘুরছিলাম। তখন তার সঙ্গে দেখা হলে পরীক্ষার খাতা না দেখানো নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সে হঠাৎ আমার মাথা, কান ও পিঠে আঘাত করে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। পরে ভাইয়েরাই আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখনো মাথা, কান ও পিঠে তীব্র ব্যথা অনুভব করছি।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিপ্র. এন. এম.। তিনি বলেন, “যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে, তাহলে প্রমাণ করুক। আসলে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সে আমার বন্ধু, হাসপাতালে আসার পর থেকে আমিই তার সঙ্গে ছিলাম। অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।”